Amina's Store

Amina's Store Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amina's Store, Chandpur.
(2)

08/06/2026

আপনার চোখে দেখা ৫ জন বিজনেস ওনার কে ট্যাগ করুন।যিনি অনেক হার্ড ওয়ার্ক করেন ও ওনার কাজ আপনার ভালো লাগে।তার উন্নতি আপনি চান।

কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাইনা ? আজ সকালে এই যুবক বাসের হেল্পার ছিল। খুব দ্রুত মুভ করতে পারে। যুবকটাকে দেখ...
06/06/2026

কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাইনা ? আজ সকালে এই যুবক বাসের হেল্পার ছিল। খুব দ্রুত মুভ করতে পারে। যুবকটাকে দেখলাম কোনোরকম হইচই করছে না ভাড়া নিয়ে। এটাও স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বিশেষ একটা দিক খেয়াল করলাম।
এক যাত্রী বলল, আমি স্টুডেন্ট। হেল্পার এই যুবক উত্তর দিল- আজ ফুল ভাড়া দেয়া যায় কিনা!
সে যাত্রী ফুল ভাড়া দিতে গেল। কিন্তু হেল্পার নিলো না। মাথায় হাত রেখে বলল, মন দিয়ে পড়াশোনা কইরেন ভাইজান। পড়াশোনাটা খুব দরকার।

একই পরিস্থিতি হলো আরেক যাত্রীর কাছে। সেও স্টুডেন্ট। এবারও সে স্টুডেন্ট শুনে যাত্রীর আরো কাছে গিয়ে বলল, ভাইজান অনেক বড় মানুষ হতে হবে কিন্তু। বাবা মার মুখ উজ্জ্বল করতে হবে। খুব মনোযোগ দিয়ে পইড়েন। কোনো বিষয়ে হতাশ হইয়েন না।

আরে কী আজব! এই হেল্পার সব স্টুডেন্টদের এভাবে মোটিভেট করছে কেন ?
ভাবলাম হতেই পারে। তবে তিন নম্বর স্টুডেন্টের কাছে গিয়ে বলল, দোয়া করি অনেক ভালো মানুষ হন। অনেকদূর পড়াশোনা করেন।

দারুণ ক্যারেক্টার । বেশ ভালো লাগলো।
একই সঙ্গে বাসে কিছু লোক দাঁড়িয়ে ছিল। সবাইকে সে চাচা, আংকেল বলে সম্বোধন করছে। এক যাত্রীকে বলল, চাচা আপনি এই জায়গায় দাঁড়ান। ফ্যানের বাতাস লাগবে। বলে সে নিজেই ফ্যানটা ঠিক করে দিল।
আরেক যাত্রী একটু বয়সী, ফার্মগেটে উঠতে যাচ্ছিল এই বাসে। সে দরজা থেকে নেমে ওই যাত্রীকে বলল, চাচা এই বাসেও যাইতে পারবেন। কিন্তু আপনার কষ্ট হইতে পারে। আপনি পেছনের ওই গাড়িতে উঠেন। সিট ফাঁকা আছে।
সাধারণত সিট ফাঁকা থাক বা না থাক জোর করে যেখানে যাত্রীদের তোলে সেখানে এই হেল্পার মানুষের বয়সের কথা বিবেচনা করে দারুণ পরামর্শ দিচ্ছে।
জানিনা এর ব্যক্তিজীবন কেমন। কিন্তু বাসের ভেতর পড়াশোনার প্রতি, ছাত্রদের প্রতি, বৃদ্ধদের প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ দেখলাম তার তা অনন্য।

তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হলো। আপনাকে দেখলাম কেউ ভাড়া কম দিলেও নিচ্ছেন।

বললেন, জীবনে অনেক ঠকেছি। আমি জানি ঠকার কী যন্ত্রণা। কাউকে তাই ঠকাতে চাই না। পারলে উপকার করব। আমার তিন মেয়ে। তারা অনেক শিক্ষিত হবে এইটাই চাই।

(ছবি তার অজান্তে তুললেও পরে তার অনুমতিতেই পোস্ট দেয়া। নাম রাসেল। সামনা সামনি তোলা ছবি কমেন্টে দেয়া আছে। আরো মজার ব্যপার তার সঙ্গে কাকতালীয় দেখা হয়েছে আবারও শাহবাগে, সন্ধ্যার পরে। সে নিজেও তার পোস্ট দেখেছে। আমার সৌভাগ্য আসলে)
©আলী ইমরান

day 157 of 365 অবশেষে আমার আনাসের ২ বছর পূর্ণ হলো,আলহামদুলিল্লাহ🌼🌸🖤 জন্ম থেকে তার সব কিছুর গ্রোথ ঢিলে। আমাদের কোনো সমস্য...
06/06/2026

day 157 of 365

অবশেষে আমার আনাসের ২ বছর পূর্ণ হলো,আলহামদুলিল্লাহ🌼🌸🖤 জন্ম থেকে তার সব কিছুর গ্রোথ ঢিলে। আমাদের কোনো সমস্যা নেই কিংবা তার উপর প্রেশার দিচ্ছিও না।সেও চেষ্টা করে এটাই আলহামদুলিল্লাহ।সে এখনও কিছুই বুঝে না, তারজন্য কোনো কিছুই স্পেশাল ফিল করানো হচ্ছে না🫠 শুধু বারবার আমার রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার রব আমাকে এই উত্তম রিজিক যে এত সহজে দিয়ে দিবেন বুঝতে পারি নাই আমি, আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ🖤 কত ইনজেকশন, কত শত ঔষধ, কত শত নির্ঘুম রাত,কত কত পরিমানের শারিরীক -মানসিক যুদ্ধের পর আমি আমার আনাসকে বুকের মধ্যে পাই।
এই তো ২৪ আর ২৫ সালে সে ছিলো আমার রাতজাগা পাখি। ঐ রাতগুলোতে তার সাথে শত শত কথা, স্মৃতি জমে গেলো🖤 দেখতে সে এখন বড় ভাইও হয়ে গেলো🥹🖤 দিন গুলো সব চলে যাচ্ছে কিন্তু আমার সেই ছোট্ট আনাসকে আর ফিরে পাবো না।
এক সময় আমার কাজ কর্ম, ঘরবাড়ি সবকিছু পরিপাটি থাকবে কিন্তু তখন তারা হয়তো যে যার কাজে ব্যস্ত থাকবে।
সবসময় আমার একটাই চাওয়া আমি যেনো আফিয়ার সাথে আমার ২ টা বাচ্চাকে ধৈর্য্য ধরে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে পারি, ইনশাআল্লাহ🥹🖤
মাতৃত্ব সুন্দর আলহামদুলিল্লাহ 🌸🌼

আউঈযু বি কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বানিন ওয়া হাম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি 'আইনিন লাম্মাহ।

এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর...
05/06/2026

এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর বাহ্যিকরূপ ছিলো। নিয়মিত তাকে গোসল, খাওয়ানো এমনকি ট্রাম্পের মত করে চুলও আচরে দিতো।

দেখতে তাকে একেবারে ধবধবা নাদুসনুদুস সুন্দর লাগতো। সারা বিশ্বের তার সেই সৌন্দর্য এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত ল্যুক আলোচিত হয়।

এরপর তাকে সরকার কিনে নিয়ে চিড়িয়াখানায় রাখা হয়। তার যত্ন কমতে থাকে। তার বরাদ্দের বিশাল অংশ গায়েব হয়ে যায়। প্রতিদিন শুধু তাকে দেখতেই শত মানুষ চিড়িয়াখানায় যায়। দিন দিন অবহেলা ও অযত্নে মাত্র ১০ দিনেই তাকে আর চেনা যায়না।

সেই ট্রেডমার্ক চুল, সোনালি পশম কিংবা চোখের চাহনি হারিয়ে গেছে। গোসল হয়না নিয়মিত। ধবধবে সুন্দর থেকে দুর্বল হয়ে মলিন হয়েছে তার চেহারা।

কিন্তু ঠিক এই মুহুর্তে যদি সে তার খামারি মালিকের কাছে থাকতো তাহলে যথাযথ সেবা পেত এবং তার সৌন্দর্য আগের মতই থাকতো।

একজন প্রকৃত অভিভাবক কতটা গুরুত্বপূর্ণ পশু এবং মানুষের জীবনে এই ছবিটি তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। মালিকের কাছে থাকলে এই কাক তার মাথায় বসতে পারতো না।

একে অতিদ্রুত হয় আগের মালিকের কাছে দিয়ে দিন অথবা তাকে অন্য কোন খামারীর কোন মহিষ পালের সাথে থাকার ব্যবস্থা করে দিন। নাহলে দিনে দিনে তার অবস্থা আরো খারাপ হবে।

©

এক বদমায়েশ বুড়ো ৩৮ বছর পর নিজ বাড়িতে ফিরেছে। স্ত্রী তাকে ঘরে জায়গা দেয়নি। এই নিউজের শিরোনাম হওয়া উচিত ছিলো - ''দয়ামায়াহী...
05/06/2026

এক বদমায়েশ বুড়ো ৩৮ বছর পর নিজ বাড়িতে ফিরেছে। স্ত্রী তাকে ঘরে জায়গা দেয়নি।

এই নিউজের শিরোনাম হওয়া উচিত ছিলো -
''দয়ামায়াহীন পাষণ্ড বুড়োর ৩৮ বছর পর ঘরে ফেরা, মিলেনি ঠাই।'
''অথৈ সাগরে হাবুডুবু খাওয়া এক নারীর/ মায়ের ৩৮ বছরের সংগ্রাম!'

কিন্তু সংবাদমাধ্যম শিরোনাম করেছে -
১) স্ত্রীর উপর রাগ করে ৩৮ বছর নিরুদ্দেশ, বাড়ি ফিরলেও মিলেনি শান্তি।

২) দাম্পত্য কলহে ৩৮ বছর ধরে রাগ করে বাড়ি ছাড়লেও , ভাঙ্গেনি স্ত্রীর রাগ।'

এই লোক যে পাষণ্ড/দয়ামায়াহীন। এটা শিরোনামেই উল্লেখ খুব প্রয়োজন ছিলো। অনেকেই নিউজ পড়ে না। না পড়েই গালি দেয়।

তো এই নিউজের কমেন্ট সেকশনে অনুভূতিহীন কিছু মানুষের মন্তব্য - বুড়ির ত্যাজ এখনও কমে নাই। বুড়ির জন্যই বুড়ো এই সংসার ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলো। বুড়িই খারাপ।

তবে বেশীরভাগ মানুষেরই বুড়ির কষ্ট অনুভব করে সাপোর্ট করেছে। এটা দেখে খুব ভালো লাগলো।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীর মধ্যে ঘিনপিত খুব কম থাকে। এই ঘিনপিত বলতে আত্মসম্মানবোধের কথা বুঝাচ্ছি। সম্পর্কের মায়াজালে হোক সেটা ভালোবাসা কিংবা পায়ের নিচে শক্ত মাটির অভাব, নারীকে ঘিনপিত বা আত্মসম্মানহীন বানিয়ে তুলে।

শত কষ্ট, অপমান দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে। শুধুমাত্র সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য। সংসার হয়তো টিকে যায়। কিন্তু সে একজন অসুখী মানুষ আমৃত্যু সুখী হওয়ার অভিনয় করে যায়।

৩৮ বছর। ১৩৮৭৯ দিন। ১.১৯৯ বিলিয়ন সেকেন্ড!
স্বামীহীন যুবতী নারী থেকে বৃদ্ধায় রূপান্তরিত মহিলা একাকী কীভাবে কাটালো?

চোখ বন্ধ করতেই ভেসে উঠে, স্বামীহীন সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে ভাবী-ননদ কিংবা পাড়া প্রতিবেশীদের খোঁটা, বাঁকা চাহনী।

সেখানেও শান্তি না মিলায় তিনবেলা ছেলের মুখে এক মুঠো ভাত জুটানোর জন্য নিজের সংগ্রাম। কখনও আধবেলা খেয়ে, কখনও লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকা। মানুষের বাসায় ঝি চাকরানীর কাজ করা।

ভাত কাপড়ের জোগানের পেছনে ছুটতে গিয়ে ছেলেকে শিক্ষিত করতে না পারার ব্যর্থতা।

সংসার জীবনে সবচেয়ে বড় যেই সুখ, যাকে ভালোবাসা বলি আমরা।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একটু সুন্দর করে সাজিয়ে, স্বামীর সামনে আসা, স্বামীর সাথে আদর সোহাগে মেতে উঠা।

সবকিছু থেকে একজন যুবতী নারীকে বঞ্চিত করে, সন্তান ধরিয়ে দিয়ে অথৈ সাগরে ভাসিয়ে চলে গেলো। এই দুটো প্রাণী কী খাচ্ছে, কীভাবে চলছে একটিবারও মনে পড়েনি। যত বড় অভিমান হোক। দোষ স্ত্রীর হলেও তুই ডিভোর্স দিয়ে চলে যেতি। সন্তানটাকে নিজের কাছে নিয়ে নিতি।

কিন্তু একটা নারীর জীবনকে ধ্বংস করে, একটা শিশুর ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়ে ঐ মুখ নিয়ে কীভাবে হাজির হয়?

শুনলাম বুড়ো অন্য জায়গায় বিয়ে করেছিলো। দারুণ মজা মাস্তিতে কাটিয়েছেন ৩৮ বছর। দ্বিতীয় স্ত্রী মরে যাওয়ার পর তার সেবাযত্ন করার কেউ নেই। তাই এখন মনে পড়েছে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের কথা।

আর সংবাদ মাধ্যম কীনা শিরোনাম করেছে - 'স্ত্রীর উপর রাগ করে ৩৮ বছর নিরুদ্দেশ, বাড়ি ফিরলেও মিলেনি শান্তি। ছ্যাঃ!

তাই বৃদ্ধাকে দোষী বলার আগে, নিজেকে কিংবা নিজের মাকে বৃদ্ধার জায়গায় কল্পনা করার চেষ্টা করবেন। দেখবেন ব্যথায় বুকটা নীল হয়ে আসবে। সহ্য করতে পারবেন না।

মহিলা মানুষের ঘিন নিয়ে একটা গল্প বলি -
এক মামীকে চিনতাম। আমাদের টিভি থাকা সত্ত্বেও উনাদের বাসায় সবাই আড্ডা দিয়ে টিভি দেখতাম। আমরা আলিফ লায়লা, সিনবাদ দেখতাম। অথচ মামী উঠোনে বসে থাকতো। উনি টিভি দেখতেন না। পরে শুনেছিলাম, উনাকে মামা একদিন কোন টিভি দেখা নিয়ে রাগ করে বলেছিলো- তোর বাপের টিভি? সারাদিন দেখিস? ব্যাস। ঐ কথাটা উনার মনের ভেতরে এমন ঘিন জন্ম দিয়েছিলো। উনাকে ২০ বছর আমরা কেউ টিভি দেখতে দেখিনি। মামা হাত পা ধরে মাফ চেয়েও দেখাতে পারেনি।

যা বলছিলাম। মহিলা মানুষ সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব বেহায়া, ঘিনপিতহীন হয়। কিন্তু একবার যদি মহিলা মানুষের মন থেকে কেউ উঠে যায়। তাহলে ঐ মনে ঠাই পাওয়া খুব কঠিন জিনিস।

আর এই ঘিনপিত শুধু মহিলা নয়। প্রতিটি মানুষের মধ্যে থাকা উচিত। এই আত্মসম্মানবোধ আমাদেরকে ডোমিনেট করা মানুষগুলোর কাছ থেকে বাঁচাবে।

আমি প্রায়ই বলি - মানুষের জীবন কোন ভিডিও গেমস নয় যে, যখন তখন রিস্টার্ট বাটনে চাপ দিয়ে, নতুন শুরু করবো! গেমওভার করতে পারবো!

ছোট্ট একটা জীবন। একটাই লাইফলাইন।
বুক ভরা অতৃপ্ততা, অনাদর, অত্যাচার সহ্য করার জন্য কারোই জন্ম হয়নি। প্রতিটি মানুষের অধিকার ভালো থাকা, ভালোবাসা পাওয়ার, সম্মানের সাথে বাঁচার।

এই লাইফে প্রবেশ করে, ধ্বংস করার চাবি কাউকেই দেওয়া হয়নি। যে ধ্বংস করেছে বা করার চেষ্টা করেছে। তাদের কাউকেই দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া আর আত্মহনন করা একই কথা।

সব ভুল ক্ষমাযোগ্য নয়। সব সম্পর্ক পুনরুদ্ধারযোগ্য নয়। অন্ধকারে ফেলে যাওয়া মানুষ ফিরে এলে, সে হাত ধরতে হয় না। সব ভুলে ঘরে তুলতে হয় না।

বন্ধ দরজার এপারে চাবি হাতে নিয়ে থাকা মানুষটির অবশিষ্ট আত্মসম্মান বোধটুকুই বেঁচে থাকার শেষ সম্বল। এই আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করার জন্য পুনঃপ্রবেশের আর সুযোগ নেই। আর কাউকে সুযোগ দেওয়া উচিত না।

- অন্তর মাশঊদ

"প্রতি মাসে স্ত্রীকে কিছু হাত খরচ দিবে এবং পরে ঐ টাকার কোনো হিসাব নিবেনা।জিজ্ঞাসাও করবে না কোথায় খরচ করেছে।আল্লাহ তাআলা ...
04/06/2026

"প্রতি মাসে স্ত্রীকে কিছু হাত খরচ দিবে এবং পরে ঐ টাকার কোনো হিসাব নিবেনা।
জিজ্ঞাসাও করবে না কোথায় খরচ করেছে।
আল্লাহ তাআলা যার যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন সেই হিসাবে স্ত্রীর জন্য একটা মাসিক পরিমান নির্ধারণ করে নেবে। আর তাকে বলে দিবে তোমার যে কাজে ইচ্ছা খরচ কর।আমি এ ব্যাপারে কোনো হিসাব চাইব না। ”

(কথাগুলো মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. কামালাতে আশরাফিয়া কিতাবে লিখেছেন।)

এই মাসিক পকেট খরচ স্ত্রীর হক।
কারন সে ঘরে থাকে,উপার্জন করতে পারেনা।
যখন ভাই বোন আসে তাদেরকে কিছু হাদিয়া দিতে মন চাইতে পারে।
যদি স্ত্রীর নিকট কিছুই না থাকে তবে সে কোথা থেকে দেবে? তারও মন চাইতে পারে মাঝেমাঝে স্বামীকে কিছু দিতে বা গোপনে কিছু পরিমান সাদাকা করতে।

সে আপনার জীবনসঙ্গীনি।
আপনার দরজার বাইরে যেতে পারেনা।
সে জীবন ভরে আপনার সঙ্গ দিচ্ছে,তার সুখ শান্তি আবেগ অনুরাগের খেয়াল রাখা আপনার কর্তব্য।

- মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন

©আত-তারতীল একাডেমী

▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁

পরিচিত অপরিচিত অনেক ভাইবোনই আমার হাজবেন্ড বা আমার সাথে নিজেদের দাম্পত্য সম্পর্কের কথা, সমস্যা ও জটিলতার কথা শেয়ার করেন৷ কিছু ব্যাপার আমরা নিজেরাই আমাদের আশেপাশের পরিবারগুলোতেও ঘটতে দেখেছি। এবং এই অভিজ্ঞতাগুলো থেকে বুঝতে পেরেছি যে এমন কিছু আচরণ আছে যা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম বা নাজায়েজ নয়, কিন্তু কাজগুলো দৃষ্টিকটু বা কষ্টদায়ক, যার ফলে পরিবারের সুখশান্তি কমে যায়।

যেমন - এরকম একটি ব্যাপার হলো-- স্ত্রী কে প্রয়োজনীয় হাতখরচ না দেয়া। কিংবা স্ত্রীর হাতে কোনো টাকা না দেয়া। (এবং আমি সেইসব মুসলিম পরিবারের কথা বলছি, যেখানে স্ত্রীরা স্বামীর বাধ্য। যারা সাংসারিক দায়িত্বেই কমবেশি সারাদিন কাটিয়ে দেয়। বাইরে গিয়ে জব করে না, বা তাদের আলাদা কোনো ইনকাম সোর্স নেই।)

উক্ত সংসারে স্বামী হয়তো স্ত্রীর প্রয়োজন মাফিক সবকিছুই সামনে হাজির করছে। খাওয়াদাওয়া, বাসাভাড়া, কাপড়চোপড়, ওষুধপত্র সবই এনে দেবে; কিন্তু স্ত্রীর হাতে একটি টাকাও দিতে নারাজ। কোনো যুক্তি বা কারণ ছাড়াই তারা স্ত্রীকে এভাবে ট্রিট করে। অনেকে আছে -- হয়তোবা স্ত্রীর হাতে খরচাবাবদ কিছু টাকা দেবে ঠিকই, কিন্তু পরে আবার সেই টাকার হিসাব নেবে কড়ায়-গণ্ডায়৷ এই ধরণের বৈবাহিক সম্পর্ক একজন নারীকে যথেষ্ট চাপের মুখে রাখে। তার মন স্বামীর প্রতি বিরাগভাজন হয়ে ওঠে। এবং এ কথা মনে হওয়া তার জন্য মোটেও অস্বাভাবিক না যে -- স্বামী তাকে বিশ্বাস করে না, বা তার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না।

আমাদেরকে একটা বিষয় বুঝতে হবে -- দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, ভালোবাসা ও আস্থা। স্বামী সংসারের কর্তা, এই জন্য যদি সে মনে করে যে স্ত্রীর ওপর ইচ্ছামতো ছড়ি ঘোরাতে পারবে, বা "আমি তো সব দেখেশুনেই রাখছি, বউর হাতে টাকা দেয়ার কী দরকার!" কিংবা "মেয়েদের হাতে টাকা থাকলে তাদের বাইড় বাড়ে" ইত্যাদি... এই মানসিকতা বা দৃষ্টিভঙ্গী সংসারের জন্য ক্ষতিকর। আল্লাহ তা'আলা পুরুষকেই ভরণপোষণের দায়িত্ব দিয়েছেন, ফলে সে পরিবারের জন্য টাকা কামাই করে৷ আর একইভাবে নারীরা যারা আল্লাহর বিধানের কদর করে, তারাও এই দায়িত্ব স্বামীর ওপর ছেড়ে দিয়ে সন্তুষ্ট থাকে। এখনকার অনেক প্র‍্যাকটিসিং মুসলিম নারী আছে, যাদের নিজেদের উচ্চশিক্ষা বা কাজ করার দক্ষতা আছে, চাইলেই তারা ঘরের বাইরে গিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারতো। কিন্তু আল্লাহর বিধানের কদর করে বিধায় স্বামীর পাশাপাশি নিজেরাও জব করতে নেমে যায় না। প্রয়োজন ছাড়া উপার্জনের কাজে জড়িত হয় না। সংসারের খেদমতে বিনামূল্যে শর্তহীনভাবে নিজেকে পুরোপুরি উজার করে দেয়। এই যে আল্লাহর কথা মেনে নিয়ে স্বামী-সংসারের প্রতি একজন স্ত্রীর নি:স্বার্থ ইনভেস্টমেন্ট -- এমন স্ত্রীকে কদর করতে পারাই বুদ্ধিমান স্বামীর বৈশিষ্ট্য। স্ত্রীর প্রতি মনোভাবটা যেন এমন না হয়, "সারাদিন ঘরে বসে কী করো" বা, "টাকা তো আমিই কষ্ট করে কামাই করি, তুমি তো কামাই করো না তাইলে তোমারে দিব কেন?"

অনেক পুরুষলোক আছে, যারা স্ত্রীর বেলায় টাকা খরচের ক্ষেত্রে এতটা হিসেবী যে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কটা ভালোবাসার সম্পর্কের বদলে যুদ্ধক্ষেত্রে রূপ নেয়। স্বামীর কত ইনকাম স্ত্রী জানেও না বা স্ত্রীকে জানতে দেয়া হয় না, স্ত্রীর কাছে গোপন করে স্বামী তার সব টাকা অন্যান্য নানান খাতে খরচ করে, স্ত্রীকে তার প্রয়োজনীয় জিনিস দিতে গড়িমসি করে -- এসব পরিস্থিতিতে দেখা যায়, একসময় স্ত্রীরাও স্বামীর থেকে টাকা হাসিল করার জন্য ডেসপারেট হয়ে ওঠে। মিথ্যা বলে, ঝগড়াঝাটি করে বা চাপ দিয়ে টাকা আদায় করে নেয়। দিনকে দিন সম্পর্কটা হয়ে যায় বিষের মতো। কড়ায়-গণ্ডায় স্ত্রীর থেকে হিসাব নেয়া আর যেকোনো উপায়ে স্বামীর থেকে আদায় করে চলতে হয় যে সংসারে, সেখানে আর যা-ই হোক সুখ থাকে না।

স্ত্রীর হাতে নিয়মিত টাকা দেয়া, সামর্থ্য অনুযায়ী তার পরিবারের দেখভাল করা, খরচাবাবদ দেয়া টাকার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ না করা -- এ কাজগুলোর মাধ্যমে সহজেই স্ত্রীর মনজয় করা যায়। এ কাজগুলো স্বামীর ওপর ফরয তা না, তবে উত্তম বৈশিষ্ট্য এবং অসামান্য সওয়াবের কাজ।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

"তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম যে তার স্ত্রীর সাথে উত্তম।" (তিরমিযী: ১১৬২)

"সাওয়াবের আশায় কোনো মুসলিম যখন তার পরিববার-পরিজনের জন্য খরচ করে, তা তার জন্য সাদাকা হিসেবে পরিগণিত হয়।" (বুখারী: ৪৯৬০/৫৩৫১)

"কোনো দিনার তুমি আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ, কোনো দিনার তুমি ব্যয় করেছ ক্রীতদাসকে মুক্ত করার জন্য, কোনো দিনার তুমি সাদাকা করেছ মিসকীনের জন্য এবং কোনো দিনার তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য ব্যয় করেছ। সাওয়াবের দিক থেকে সর্বোত্তম হল যা তুমি তোমার পরিবারের জন্য খরচ করেছ।" (মুসলিম: ২২১০)

তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা ব্যয় করবে, আল্লাহ তাঁর প্রতিদান তোমাকে দেবে। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমাটি তুলে দিবে এর প্রতিদানও আল্লাহ তোমাকে দেবে।" (বুখারী: ২৫৯১)

চিন্তা করুন, স্ত্রীর মুখে তুলে দেয়া এক লোকমার জন্যেও সওয়াব আছে। আর স্ত্রীর হাতে টাকা দেয়ার জন্য সওয়াব থাকবে না?

এমন অনেক ঘটনা দেখেছি, যেখানে স্ত্রী তাকে দেয়া হাতখরচার টাকা জমিয়ে উল্টো স্বামীর বিপদের সময় সাহায্য করেছে। মাসিক খরচের টাকা নিজের শখ পূরণের পিছে ব্যয় না করে উল্টো স্বামীর পরিবারের জন্য উপহার কিনে এনেছে। এর মানে অবশ্যি এই না যে, স্ত্রীকে টাকা দিয়ে স্বামীরা মনে মনে তার কাছ থেকে এগুলো প্রত্যাশা করা শুরু করবে৷ স্ত্রীর হাতে কিছু টাকা স্বামীর এমনিতেই রাখা দরকার, যেহেতু টাকার জরুরত পাগলেরও আছে৷ কেন দরকার, কোন কাজে দরকার -- সেটা পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উল্লেখ করা এই আলোচনার উদ্দেশ্য না, এক এক জনের কাছে সেটা এক একরকম হতে পারে। তবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন যেকোনো মানুষই বারবার অন্যের কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিতে লজ্জাবোধ করবে। সে বাইরে কাজ না করে ঘরে বিনামূল্যে শ্রম দিচ্ছে। এজন্য তাকে যেন লজ্জিত হতে না হয়৷ স্বামীর কাছ থেকে কটু কথা, অপমানজনক উক্তি শুনতে না হয়৷

স্বামী যখন স্ত্রীকে ভালোবেসে এই কাজটুকু করবে, অর্থাৎ তাকে নিয়মিত হাতখরচ, বা তার কাছে সামর্থ্য অনুযায়ী মাসিক একটা এমাউন্ট দিয়ে রাখবে, তখন স্ত্রী বাইরে কাজ না করেও স্বাধীনভাবে খরচ করার আনন্দ উপভোগ করতে পারবে। এবং খুটিনাটি খরচের জন্য অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে না বা সামান্য ব্যাপারে কৈফিয়ত দিয়ে স্বামীর থেকে চেয়ে নিতে হচ্ছে না বলে স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করবে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তো এমনই হওয়া উচিত -- মধুর, ভালোবাসার। প্রতিযোগিতার নয়, সম্মান, মমতা ও সহযোগিতার। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবার সংসারকে সুন্দরভাবে হেফাজত করুক, আমীন।

- Anika Tuba

▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁▁

আপনি যদি চান আপনার স্ত্রীকে রাণীর মতো রাখতে, তাহলে আগে তো আপনাকে ‘রাজা’ হতে হবে।

আপনি যদি চান আপনার স্ত্রী অনেক পর্দানশীন হোক, মাহরাম-গায়রে মাহরাম মেনে চলুক, তাহলে আপনাকে অবশ্যই সেটা মানতে হবে; স্ত্রীর জন্য সেই পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।

আপনি যদি চান আপনার স্ত্রী আপনার সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলুক, তাহলে অবশ্যই আপনাকেও তার সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে।

আপনি যদি চান আপনার স্ত্রী আপনার মা-বাবাকে সম্মান দিক, তাহলে অবশ্যই আপনারও উচিত আপনার শ্বশুর-শাশুড়ির সম্মান করা।

আপনি চান না আপনার স্ত্রী বাইরে জব করুক; খুব ভালো চিন্তা। তাহলে অবশ্যই আপনার স্ত্রীকে সম্মানের সাথে হাতখরচ দিন।

— Need

দীর্ঘ ১ মাস পর মনে হয় পোস্ট করতে আসলাম।এর আগে পোস্ট করে বলে ছিলাম, আমার ৭ মাসের আহনাফের সুন্নতে খৎনার কথা। ছেলেটাকে নিয়ে...
04/06/2026

দীর্ঘ ১ মাস পর মনে হয় পোস্ট করতে আসলাম।এর আগে পোস্ট করে বলে ছিলাম, আমার ৭ মাসের আহনাফের সুন্নতে খৎনার কথা। ছেলেটাকে নিয়ে যেই পরিমানে কষ্ট গেলো,ওর বাবা,আমি আর ওর নানা,নানুর💔 তাও যদি ছেলেটার ভালো হতো তাহলে সব কষ্ট সার্থক হতো। আমার আহনাফের আবার মুসলমানি করতে হবে।কেনো যে ঐ নোয়াখালীর হসপিটালে নিলাম।মন চাচ্ছে তাদের হাসপাতালের ডিটেইলস সহ পোস্ট দিতে।তারা এমন মুসলমানি করাইছে যে ওর প্রসাবের রাস্তাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

পেইজে মডারেটর লাগবে!।।~এড ফি ৫০০ টাকা।বিকাশে নিয়ে ব্লক করে দিবো।তারপর নিজেই নিজেকে ঈদ সালামি দিবো🥴আগ্রহী হলে ইনবক্স করুন...
23/05/2026

পেইজে মডারেটর লাগবে!



~

এড ফি ৫০০ টাকা।
বিকাশে নিয়ে ব্লক করে দিবো।
তারপর নিজেই নিজেকে ঈদ সালামি দিবো🥴
আগ্রহী হলে ইনবক্স করুন🫠🥴

এ শহরে নেই, মায়ের মতো চাঁদজোনাকি পোকা, তাসনিম রাতযোগাযোগ নেই, আছে অযুহাততোমার-আমার🌼🌸
19/05/2026

এ শহরে নেই, মায়ের মতো চাঁদ
জোনাকি পোকা, তাসনিম রাত
যোগাযোগ নেই, আছে অযুহাত
তোমার-আমার🌼🌸

Address

Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amina's Store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share