অনর্থক গবেষণা

অনর্থক গবেষণা আল্লাহুম -
মা আজিরনী মিনান্না -র ।
হে আল্লাহ আমাদের জাহান্নাম এর আজাব
থেকে মুক্তি দান করুন। -আমিন- Neither drowsiness overtakes Him nor sleep.

Allah - there is no deity except Him, the Ever-Living, the Sustainer of [all] existence. To Him belongs whatever is in the heavens and whatever is on the earth. Who is it that can intercede with Him except by His permission? He knows what is [presently] before them and what will be after them, and they encompass not a thing of His knowledge except for what He wills. His Kursi extends over the heav

ens and the earth, and their preservation tires Him not. And He is the Most High, the Most Great.
আল্লাহ এমন এক চিরঞ্জীব ও চিরন্তন সত্তা যিনি সমগ্র বিশ্ব-জাহানের দায়িত্বভার বহন করছেন, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি ঘুমান না এবং তন্দ্রাও তাঁকে স্পর্শ করে না। পৃথিবী ও আকাশে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে?যা কিছু মানুষের সামনে আছে তা তিনি জানেন এবং যা কিছু তাদের অগোচরে আছে সে সম্পর্কেও তিনি অবগত। তিনি নিজে যে জিনিসের জ্ঞান মানুষকে দিতে চান সেটুকু ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ব করতে পারে না। তাঁর কর্তৃত্ব আকাশ ও পৃথিবী ব্যাপী। এগুলোর রক্ষণাবেক্ষন তাঁকে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত করে না। মূলত তিনিই এক মহান ও শ্রেষ্ঠ সত্তা

রক্ষক যখন ভক্ষক!ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখ আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। আমার সমস্যা শো...
08/02/2026

রক্ষক যখন ভক্ষক!
ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখ আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। আমার সমস্যা শোনার পর আমাকে ৩০৮ নম্বর রুমে পাঠানো হয়। সিরিয়াল মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি। সকাল দশটার দিকে ডাক্তার আসেন। প্রথমে কিছু রোগী দেখার পর তিনি কয়েকজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে রুমের বাইরে চলে যান।
(আমি জানি না—সরকারি হাসপাতালে রোগী লাইনে দাঁড়িয়ে রেখে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সঙ্গে কথা বলা আদৌ নিয়মের মধ্যে পড়ে কি না?)
কিছুক্ষণ পর তিনি আবার ফিরে এসে রোগী দেখা শুরু করেন। লক্ষ করলাম, তিনি বেশ সময় নিয়ে, সিরিয়াসভাবে রোগী দেখছেন। সাধারণত সরকারি হাসপাতালে ডাক্তাররা রোগীর পেছনে এত সময় দেন না—এটাই আমাদের প্রচলিত অভিযোগ। তাই মনে মনে একটু খুশিই হলাম।
এরপর যখন আমার পালা এলো, আমি ভেতরে গিয়ে সব কথা খুলে বললাম। তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—কোনো কনসালটেন্সি বা পরিষ্কার চিকিৎসা পরিকল্পনা না দিয়ে তিনি হঠাৎ তার ব্যক্তিগত চেম্বারের বিজ্ঞাপন শুরু করলেন।
বললেন, “আপনার সমস্যাটা ভালো করে দেখতে হবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার”—এমন আরও কিছু কথা বলে আমার হাতে দুইটা ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিলেন। জানালেন, সেখানে গেলে ভালোভাবে চিকিৎসা করা যাবে।
আমি তো আর ডাক্তারের মতো এত উচ্চশিক্ষিত মানুষ নই—সবকিছু বুঝব এমন দাবিও করি না। তাই ভিজিটিং কার্ড দুটির ছবি তুলে রাখলাম। উনার একটু মার্কেটিংও হয়ে গেল, আমারও একটু জানা হলো।
এখন প্রশ্ন হলো—সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালের মাধ্যমে রোগী প্রাইভেট ক্লিনিকে ট্রান্সফার করা যদি অপরাধ হয়, তাহলে একজন ডাক্তার নিজেই যদি সরকারি ডিউটির সময় নিজের চেম্বারের মার্কেটিং করে রোগী নিয়ে যান, সেটার নাম কী?

এত বড় একটি মেডিকেল কলেজ, এত সিনিয়র প্রফেসর, আধুনিক মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট—সব থাকার পরও একজন ডাক্তার (দাড়িওয়ালা, সুন্দর হাসি, ইসলামিক লেবাসধারী, সমাজে ভদ্র বলে পরিচিত মানুষ) সরকারি হাসপাতালের ব্র্যান্ড ও পরিচয় ব্যবহার করে ডিউটিরত অবস্থায় নিজের ব্যক্তিগত ভিজিটিং কার্ড বিলি করেন—এটা কতটা নৈতিক?
যেখানে তার দায়িত্ব ছিল এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা দেওয়া, সেখানে তিনি রোগীকে নিজের প্রাইভেট চেম্বারে নিয়ে যাচ্ছেন।
আমার ছোট মনে একটা সোজা প্রশ্ন—
যদি সরকারি চাকরি না পোষায়, তাহলে চাকরি ছেড়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করুন।
আপনার জায়গায় হয়তো সত্যিকারের একজন ডাক্তার আসবে।
আর আমরা “ডাক্তার নামের ---” এমন কিছু মানুষের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে পারব।

#চট্টগ্রাম #ওডাক্তার #কসাই

কোন দামাদামি করবেন না একদম।
02/02/2026

কোন দামাদামি করবেন না একদম।

আবেগ ও সোশ্যাল মিডিয়ার হাইপ দিয়ে বাস্তব সমস্যাকে আড়াল করা যায় না। ক্ষতি করলে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ জরুরি—এটাই ন্যায়বোধ ও দায়ি...
09/12/2025

আবেগ ও সোশ্যাল মিডিয়ার হাইপ দিয়ে বাস্তব সমস্যাকে আড়াল করা যায় না। ক্ষতি করলে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ জরুরি—এটাই ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

একসময় বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতো। আর এখন সামাজিক মাধ্যমে কিছু কুকুর-প্রেমিকদের তোলপাড় দেখে মনে হয়, মানুষের জীবনের মূল্য যেন ক্রমেই হালকা হয়ে যাচ্ছে। আমরা এতটাই উদ্ভট পর্যায়ে পৌঁছেছি যে, কখনো শুনতে হবে—ইঁদুর মারার কারণেও কেউ দোষী হবে, কারণ নাকি “ইঁদুরের হরমোন মানুষের সাথে মেলে”!

কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে গেলেই “মানবতা নেই”, “অমানুষ”—এমন তিরস্কার শুনতে হয়। মনে করা হয়, মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলাটাই যেন বড় ভুল!

কিন্তু বাস্তবতা আরও নির্মম। আজুস নামের এক শিশু কুকুরের কামড়ে মারা গেছে। এর চেয়ে বড় সতর্কবার্তা আর কী হতে পারে? শিশুরা স্কুলে যেতে ভয় পায়, সাধারণ মানুষ রাস্তায় হাঁটতে আতঙ্কে থাকে।

ময়মনসিংহের ঘটনা মনে আছে? এক কুকুর একবারে ৪০ জনকে কামড়েছিল। ফল ছিল তাত্ক্ষণিক রেবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও অসংখ্য পরিবারের দুশ্চিন্তা।

সাম্প্রতিক এক ঘটনায় এক মহিলার আটটি কুকুরছানাকে মেরে ফেলার দায়ে জেল পর্যন্ত হওয়ার কথা শুনেছি। সেই কাজটি নিশ্চয়ই খুবই অনভিপ্রেত ও দুঃখজন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো: মানুষের জীবন যখন প্রতিদিন কুকুরের আক্রমণে হুমকির মুখে, শিশুরা যখন মারা যাচ্ছে, তখন কুকুরছানার জন্য কারাগার—এটা কি আমাদের ন্যায়বোধের সঠিক অগ্রাধিকার নির্দেশ করে? একটি প্রাণহানিকে অপরাধ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি, কিন্তু অগ্রাধিকার নির্ধারণ আরও জরুরি।

20/10/2025
13/09/2025

রিজিক (رزق) বা ভাগ্য আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নির্ধারিত, তবে সেটি পাওয়ার জন্য চেষ্টা (সাঈ/আমল) করা আবশ্যক। যেমন:

পরীক্ষায় ১০০ নাম্বার যদি কারো জন্য নির্ধারিত থাকে, তবুও তাকে পড়াশোনা করতে হবে, না হলে নাম্বার পাওয়া যাবে না।

তেমনি জীবনে রিজিক, সাফল্য, সম্মান – সবকিছু আল্লাহ্‌ আগেই নির্ধারণ করেছেন, কিন্তু তার জন্য চেষ্টা, পরিশ্রম, দোয়া এবং ধৈর্য ধরতে হয়।

ভোরে ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এম ভি দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চ। যাত্রীদের ভিড়ে ছিলো মাত্র এক দিনের এক নবজাতক—নিঃশ্বাস ...
18/08/2025

ভোরে ভোলা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এম ভি দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চ। যাত্রীদের ভিড়ে ছিলো মাত্র এক দিনের এক নবজাতক—নিঃশ্বাস নিতে হিমশিম খাচ্ছে, সাথে ছিলো অক্সিজেন সিলিন্ডার। লক্ষ্য ছিলো উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পৌঁছানো।
কিন্তু ভাগ্য যেন হঠাৎই থেমে গেল। লঞ্চ যখন মুন্সীগঞ্জ ছাড়িয়ে এগোচ্ছে, তখন অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। সময়টা ছিলো প্রতিটি সেকেন্ডের লড়াই। পরিবারের কেউ দেরি না করে কল দেয় ৯৯৯ এ।
এরপর যা ঘটলো—এটা শুধু একটা ঘটনা নয়, এটা এই দেশের মানবিক মুখের প্রতিচ্ছবি।
৯৯৯ সঙ্গে সঙ্গে খবর পৌঁছে দেয় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে। কয়েক মিনিটের মধ্যে নদীর বুক চিরে ছুটে আসে একটি স্পিডবোট—সাথে নতুন অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, আর দুইজন প্রশিক্ষিত সদস্য। তারা লঞ্চে উঠে নবজাতকের পাশে দাঁড়ায়, শ্বাসের প্রতিটি ওঠানামা মনিটর করে, যেন শিশুটি এক মুহূর্তও একা না থাকে।
লঞ্চ পৌঁছায় সদরঘাটে। ঘাটেই অপেক্ষা করছিলো কোস্ট গার্ডের অ্যাম্বুলেন্স—এক মুহূর্ত দেরি না করে নবজাতককে নিয়ে ছুটে যায় হাসপাতালে।
অন্ধকারের ভেতরেও কিছু আলো থাকে। চারপাশে যখন নেতিবাচক খবরে আমরা ক্লান্ত, তখন এমন একটি ঘটনার খবর হৃদয়ে নতুন বিশ্বাস জাগায়—এই দেশ এখনো মানুষের, এই দেশ এখনো বাঁচিয়ে রাখে স্বপ্ন।
অসংখ্য কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও ন্যাশনাল ইমারজেন্সি হেল্পলাইন ৯৯৯-কে। আপনারা শুধু দায়িত্ব পালন করেননি, আপনারা এক নবজাতকের জীবন বাঁচিয়েছেন, আর আমাদের সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে।
মানবতার জয় হউক
এগিয়ে যাক প্রিয় জন্মভূমি।
কোস্টগার্ড পার্ক ভোলা খেয়াঘাট
নৌ পুলিশ বাংলাদেশ
(সংগ্রহীত)
Pic- collected

14/08/2025

আগেই কইছি যে এই ধরনের কাজ করা যাবে না,

05/08/2025

নতুন করে উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, থাইল্যান্ড, দুবাই, মালয়েশিয়া ও আরও কিছু দেশের ভিসা বন্ধ হয়েছে — এতে মন খারাপ করার কিছু নেই। কারণ, আমরা আর বাইরে যাব না, বরং এখন বিশ্বই আমাদের কাছে আসবে। 🌍 :-)

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনর্থক গবেষণা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share