08/03/2019
স্বামীর মন জয় করার এক মর্মস্পর্শী কাহিনী।
------------------------------------
মুসলিমা নামের এক যুবতী। স্বামী সংসারে আছে পাঁচ বছর যাবত। কিন্তু বিয়ের পর দীর্ঘ চারটি বছর সুখের মুখ দেখেনি। শান্তির খোঁজ পায়নি।
বরং বলতে গেলে ও সময়টুকুর পুরোটাতেই দুঃখ, কষ্ট ও অশান্তি তার নিত্যসঙ্গী ছিল। দাম্পত্য জীবনে সে ছিল চরম অসুখী।
দীর্ঘ চার বছর পর তার জীবনের মোড় ঘুরে। সুখ-শান্তি তার সঙ্গী হয়। দাম্পত্য জীবন মধুময় হয়ে ওঠে। সে খুঁজে পায় সুখ-শান্তির আসল ঠিকানা।
তবে কিভাবে এটা সম্ভব হয়েছিল, কীভাবে সে সুখ-শান্তির মুখ দেখেছিল তা এক হৃদয়স্পর্শী কাহিনী, এক শিক্ষণীয় ঘটনা। প্রিয় পাঠক-পাঠিকা! চলুন, আমরা মুসলিমার মুখ থেকেই সে ঘটনাটা শ্রবণ করি এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা গ্রহন করি। মুসলিমার ভাষায়-
প্রিয় ভাই ও বোনেরা! দাম্পত্য জীবনে আমি কী পরিমাণে অসুখী ছিলাম, কত দুঃখ-কষ্টে আমার জীবন কাটছিল তা আমি আপনাদের কে কলমের আঁচড়ে লিখে বুঝাতে পারব না। তবু কিছুটা অনুমান করার জন্য দুঃখের দু’চারটি কথা অবশ্যই আমি লিখব। তবে যে কথাটি আমি অতি গুরুত্ব দিয়ে আপনাদেরকে বলতে চাই তা হলো- সেই দুঃখ-কষ্টের দিনগুলোর পর কীভাবে আমার জীবনে সোনালি প্রভাত আগমন করেছিল, কীভাবে আমি আমার স্বামীর হৃদয়ের রাণী হতে পেরেছিলাম। কেননা, এ অংশটুকুই আপনাদের বেশী কাজে লাগবে। আমার ঘটনা নিম্নরূপঃ
বিয়ের পর এক অপরিসীম দুঃখের মধ্য দিয়ে আমি নতুন জীবন প্রবেশ করলাম। কারণ আমি কয়েকদিন যেতে না যেতেই বুঝতে পারলাম, আমাকে আমার স্বামীর মোটেও পছন্দ হয়নি।
/
/
আমাকে পছন্দ হয়নি বলে বিয়ের প্রথম দিকেই তিনি আমার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের লোকজন বুঝিয়ে সুঝিয়ে তাকে এই কাজ থেকে বিরত রাখে। এতে তালাকের হাত থেকে আমি বেঁচে গেলাম সত্য কিন্তু কপালে আমার সুখ জুটল না। দাম্পত্য জীবনের আনন্দ আমার কাছে সুদূর পরাহত মনে হতে লাগল।
অশান্তির এই দিনগুলোতে আমি যখন অন্য কোনো দম্পতির সুখ দেখতাম, তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মুহাব্বতের মথা শুনতাম তখন সঙ্গত কারণেই আমার দুঃখ যন্ত্রণা কয়েক গুণ বেড়ে যেত।
আমার স্বামী আমাকে এতটাই অপছন্দ করতেন যে, আমার সাথে কোনো আমার সাথে কোনো কথাবার্তা বলতেন না। এমনকি আমার হাতের এক গ্লাস পানিও পান করতে ঘৃণা বোধ করতেন। তিনি বরাবরই আমাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেন। সীমাহীন পর্যায়ের অবহেলা করতেন। রাতে বিছানায় যাওয়ার