Mohammad Ali

Call Directions Contact the business

Mohammad Ali তার কথার চেয়ে কার কথা উত্তম হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করে ।
— সূরা হা-মীম সেজদা ৩৩

OLYMPUS ENGINE OIL is an independent, Dutch, lubricant blender for marine customers and automotive brands. We serve oil-majors, brand owners and distributors with value- and high performing lubricants. Our direct access to the Rotterdam port enables us to work efficient and is a big advantage for our growing bunkering activities. The inhouse expertise, flexibility and packing capability are a solid solution for automotive lubricant brands. The access plus our high capacity plant, expertise and flexibility enables us to serve marine customers quickly and accurate. Besides bulk bunkering capability, our sophisticated packing lines are fulfilling all automotive lubricant needs ranging from 1 to 1000 liter packed products. It is our aim to take care of all our customers' lubricant needs and give support through customized solutions. Through our product quality, near to 100% logistic performance (OTIF), dedication and personal touch we are heading to world class customer service.

🇧🇩 মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত আবেদনজাপানি ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) আমদানির ওপর আরোপিত নিষে...
11/09/2026

🇧🇩 মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত আবেদন

জাপানি ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাটি মানবিক ও বাস্তবতার আলোকে পুনর্বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির প্রায় ৫০ বছরের পরীক্ষিত পথচলা রয়েছে। এই খাত শুধু একটি ব্যবসা নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, টেকনিশিয়ান, চালক, শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের জীবন-জীবিকা। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান। সরকারও দীর্ঘদিন ধরে এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব পেয়ে আসছে।

আমরা সরকারের বিরোধিতা করছি না। আমরা বিশ্বাস করি, দেশ ও জনগণের কল্যাণই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে বয়সসীমা, ব্যাটারি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিরাপত্তা সনদ ও মানসম্মত পরিদর্শনের বাধ্যবাধকতা রেখে জাপানি EV আমদানির জন্য একটি কঠোর, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আমাদের দাবি অবাধ বা অনিরাপদ আমদানি নয়—কঠোর যাচাইয়ের মাধ্যমে নিরাপদ, মানসম্মত ও পরীক্ষিত জাপানি EV আমদানির সুযোগ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, একটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে হাজারো মানুষের জীবিকা, দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ এবং একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক খাতের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে। আমাদের আকুল আবেদন—খাতটিকে বন্ধ করে দেবেন না; প্রয়োজনীয় শর্ত ও কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ আরোপ করে আমাদের ব্যবসা ও কর্মসংস্থান রক্ষার সুযোগ দিন।

জাপানি গাড়ি—পঞ্চাশ বছরের পরীক্ষিত বন্ধু।
নিষেধাজ্ঞা নয়—সুষ্ঠু ও নিরাপদ নীতিমালা চাই।
বৈষম্য নয়—সবার জন্য সমান সুযোগ চাই।

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের সহযোগী হয়েই দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে চাই। আশা করি, আমাদের যৌক্তিক ও মানবিক আবেদনটি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

#মাননীয়_প্রধানমন্ত্রীর_দৃষ্টি_আকর্ষণ #নিষেধাজ্ঞা_প্রত্যাহার_চাই #সুষ্ঠু_নীতিমালা_চাই #হাজারো_মানুষের_কর্মসংস্থান #বৈষম্য_ঠাঁই_নাই

বাংলাদেশে মানুষের আস্থার নাম—জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়িপর্ব ১/৫: চার দশকের আস্থা কি শুধুই কাকতালীয়?বাংলাদেশে জাপানি রিকন্ডি...
06/09/2026

বাংলাদেশে মানুষের আস্থার নাম—জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি

পর্ব ১/৫: চার দশকের আস্থা কি শুধুই কাকতালীয়?

বাংলাদেশে জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কোনো সাময়িক ফ্যাশন নয়। প্রায় চার দশক ধরে সাধারণ পরিবার, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এসব গাড়ির ওপর আস্থা রেখে আসছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—বাংলাদেশে জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি এত জনপ্রিয় কেন?

এর উত্তর শুধু “দাম কম” নয়। এর পেছনে রয়েছে—

* জাপানি নির্মাণমান ও দীর্ঘস্থায়িত্ব;
* বাংলাদেশের উপযোগী Right-Hand-Drive ব্যবস্থা;
* উন্নত নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি;
* Hybrid প্রযুক্তির জ্বালানি সাশ্রয়;
* যন্ত্রাংশ ও দক্ষ মেকানিকের সহজলভ্যতা;
* তুলনামূলক কম রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়;
* ভালো পুনর্বিক্রয় বাজার;
* মডেল, প্যাকেজ, গ্রেড ও দামের ব্যাপক নির্বাচন।

রিকন্ডিশন্ড মানেই কি পরিত্যক্ত পুরোনো গাড়ি?

একেবারেই নয়।

বাংলাদেশ কাস্টমসের প্রকাশিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জাপান থেকে আমদানি করা ব্যবহৃত গাড়ি সাধারণভাবে পাঁচ বছরের বেশি পুরোনো হতে পারে না। গাড়ির বয়স, মডেল ও চেসিস নম্বরসংবলিত Japan Auto Appraisal Institute—JAAI-এর সনদ কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার বিধানও রয়েছে।

অর্থাৎ বৈধভাবে আমদানি করা জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কোনো অনিয়ন্ত্রিত স্ক্র্যাপ গাড়ি নয়। এটি নির্ধারিত বয়সসীমা, উৎসদেশ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের শর্ত মেনে আমদানি করা গাড়ি।

বাংলাদেশ কাস্টমসের ব্যাখ্যা

জাপানের গাড়ি নিলামব্যবস্থায় একটি গাড়ির মাইলেজ, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা, মেরামতের চিহ্ন এবং দৃশ্যমান ত্রুটি পরীক্ষা করে Auction Sheet বা Condition Report তৈরি করা হয়। তবে অবশ্যই মূল Auction Sheet যাচাই করতে হবে এবং জাল বা পরিবর্তিত কাগজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাজারের বাস্তবতা কী বলে?

২০২৩ সালে প্রকাশিত একটি বাজারভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বাংলাদেশে নিবন্ধিত ২৬,৯৩৫টি Private Car ও SUV-এর প্রায় ৭০ শতাংশ ছিল ব্যবহৃত গাড়ি এবং বাকি ৩০ শতাংশ ছিল ব্র্যান্ড-নিউ।

The Business Standard-এর বিশ্লেষণ

মানুষকে কয়েক বছর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রভাবিত করা সম্ভব হতে পারে; কিন্তু প্রায় চার দশক ধরে একটি গাড়ির বাজার টিকে থাকে ব্যবহারকারীর বাস্তব অভিজ্ঞতা, আস্থা এবং পুনরায় কেনার সিদ্ধান্তের ওপর।

তাই জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়িকে শুধু “পুরোনো গাড়ি” হিসেবে মূল্যায়ন করা সঠিক নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজন, সা

ব্যক্তিগত গাড়ি যানজট বা অর্থনৈতিক ক্ষতির মূল কারণ নয়ইদানীং কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের যানজটের প্রধান কারণ হিসে...
03/09/2026

ব্যক্তিগত গাড়ি যানজট বা অর্থনৈতিক ক্ষতির মূল কারণ নয়

ইদানীং কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের যানজটের প্রধান কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত গাড়িকে দায়ী করছেন। কিন্তু কোনো তথ্যভিত্তিক গবেষণা ছাড়া একটি নির্দিষ্ট বাহনকে এককভাবে দায়ী করা বাস্তবসম্মত নয়।

BRTA-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে সব ধরনের নিবন্ধিত যানবাহন প্রায় ৬৪ লাখ ৪৩ হাজার। এর বিপরীতে নিবন্ধিত Private Passenger Car প্রায় ৪ লাখ ২৯ হাজার—অর্থাৎ মোট নিবন্ধিত যানবাহনের আনুমানিক ৭ শতাংশের কাছাকাছি। তাহলে ব্যক্তিগত গাড়িই কীভাবে দেশের যানজটের প্রধান কারণ হয়?

আমাদের যানজটের প্রকৃত কারণ হলো—অপর্যাপ্ত ও অপরিকল্পিত সড়ক, রাস্তা ও ফুটপাত দখল, অবৈধ পার্কিং, অকার্যকর ট্রাফিক সিগন্যাল, একই সড়কে দ্রুত ও ধীরগতির যানবাহন চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো-নামানো ও রাস্তা পারাপার, উল্টো পথে গাড়ি-রিকশা চালানো এবং সর্বোপরি ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা।

বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সেডান, SUV, MPV ও অন্যান্য ব্যক্তিগত গাড়ি আধুনিক জীবনযাত্রার স্বাভাবিক অংশ। বাংলাদেশেও ব্যক্তিগত গাড়ি অনেক পরিবারের জন্য শুধু বিলাসিতা নয়; শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং কর্মজীবী মানুষের মূল্যবান সময় সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয় মাধ্যম।

এই খাতের সঙ্গে গাড়ি আমদানি ও বিক্রয়, বন্দর, C&F, পরিবহন, ওয়ার্কশপ, যন্ত্রাংশ, চালক, মেকানিক, সার্ভিসিং, ব্যাংকিং ও বীমাসহ অসংখ্য পেশা জড়িত। এর মাধ্যমে সরকার বিপুল রাজস্ব পায় এবং লাখো মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান ও জীবিকার ব্যবস্থা হয়। তাই ব্যক্তিগত গাড়িকে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ বলাও যৌক্তিক নয়।

রিকশা ও অনিয়ন্ত্রিত ধীরগতির যানবাহনের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষদের বাদ দেওয়া নয়—উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, সহজ অর্থায়ন ও বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের আধুনিক ও নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি উন্নত গণপরিবহন ও সুশৃঙ্খল ট্যাক্সিক্যাব ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ—একটি বাহনকে দায়ী করার আগে তথ্য, গবেষণা ও বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে সমস্যার মূল কারণ নির্ণয় করুন।

ব্যক্তিগত গাড়ি নয়—অপরিকল্পিত সড়কব্যবস্থা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং আইন না মানার সংস্কৃতিই যানজটের মূল সমস্যা। বাহনকে নয়, সমস্যার শিকড়কে নিয়ন্ত্রণ করুন।

জাপানি রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির পথ বন্ধ নয়—ন্যায্য প্রতিযোগিতা ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুনমাননীয় প্...
27/08/2026

জাপানি রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির পথ বন্ধ নয়—ন্যায্য প্রতিযোগিতা ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের প্রতি বিনীত আবেদন

বাংলাদেশের রিকন্ডিশন্ড মোটরযান ব্যবসা কেবল গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের একটি খাত নয়; এটি কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রম, সরকারের রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎস এবং হাজার হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তার জীবিকা।

বাংলাদেশে জাপানি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ইতিহাস দীর্ঘদিনের। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আশির দশক থেকে জাপান থেকে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি শুরু হয়। তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্য, স্থায়িত্ব, জাপানি হোম-মডেলের উন্নত প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশের ডানহাতি স্টিয়ারিং ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যের কারণে এসব গাড়ি ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আস্থা অর্জন করেছে। The Business Standard-এর প্রতিবেদন

এই খাতের অর্থনৈতিক অবদান

২০২৬ সালে BARVIDA-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী:

* রিকন্ডিশন্ড মোটরযান আমদানি ও বিপণন খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার স্থানীয় বিনিয়োগ রয়েছে।

* এ খাত থেকে সরকার বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায়।

* আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, আয়কর, রোড ট্যাক্স ও নিবন্ধন ফি ছাড়াও ব্যাংক, লিজিং ও বীমা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে এই খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

* প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। The Business Standard, The Daily Star

একটি গাড়ির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শুধু মালিক ও বিক্রয়কর্মীরাই যুক্ত নন। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকেন:

* শোরুমের কর্মকর্তা-কর্মচারী;

* ড্রাইভার ও পরিবহনকর্মী;

* মেকানিক, ইলেকট্রিশিয়ান ও ওয়ার্কশপকর্মী;

* অটো পার্টস, টায়ার, ব্যাটারি ও লুব্রিকেন্ট ব্যবসায়ী;

* C&F এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট ও বন্দরকর্মী;

* নিলাম ও পরিদর্শন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান;

* ব্যাংক, বীমা ও লিজিং কোম্পানি;

* গাড়ি সাজসজ্জা, রং, ডেন্টিং ও সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান;

* বিআরটিএ, নিবন্ধন ও করসংক্রান্ত সেবা প্রদানকারী;

* নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং অসংখ্য ক্ষুদ্র সেবাদাতা।

কোনো একজন ব্যবসায়ীর কার্যক্রম বন্ধ হলে শুধু একটি শোরুম বন্ধ হয় না; এর সঙ্গে যুক্ত বহু পরিবারের নিয়মিত আয়ও বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং এ খাতের নীতিগত ক্ষতি জাতীয় অর্থনীতি, রাজস্ব ও কর্মসংস্থানের ওপর ধারাবাহিক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব

বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৭২ সাল থেকে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সম্মান, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে দুই দেশের সম্পর্ক Strategic Partnership বা কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত হয়। জাপান বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবহন, বিদ্যুৎ, বন্দর, রেল, মেট্রোরেল, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাপান দূতাবাস, ঢাকা

JICA বাংলাদেশে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবহন ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছে। জাপান দীর্ঘদিন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। JICA Bangladesh

২০২৪ সালে বাংলাদেশে আমদানি করা গাড়ির উৎসগুলোর মধ্যে জাপান প্রায় ৩০৪ মিলিয়ন ডলার নিয়ে প্রথম এবং চীন প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এটি বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে জাপানি গাড়ির দীর্ঘদিনের গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্ব নির্দেশ করে। OEC—Bangladesh Car Imports

তবে কোনো একটি বাণিজ্যিক নীতির কারণে বাংলাদেশ–জাপান বন্ধুত্বে সরাসরি “ফাটল ধরবে”—এমন বক্তব্য দেওয়া যথাযথ হবে না। বরং বলা যায়, জাপানের পরিবেশবান্ধব ও মানসম্পন্ন রিকন্ডিশন্ড EV-এর জন্য আকস্মিকভাবে বাজার বন্ধ হয়ে গেলে জাপানি রপ্তানিকারক, নিলাম প্রতিষ্ঠান ও দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের নীতিগত ধারাবাহিকতা সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে। তাই দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রতি সম্মান রেখে নীতিটি পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে বৈষম্য কেন প্রশ্নবিদ্ধ

একদিকে সরকার পরিবেশবান্ধব পরিবহন, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও চার্জিং অবকাঠামোকে উৎসাহিত করছে; অন্যদিকে জাপানের মানসম্পন্ন রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ির আমদানির পথ বন্ধ বা কঠিন করে দেওয়া হলে তা একই নীতির মধ্যে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি করে।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং স্টেশন আমদানির উৎসে কর শূন্য করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সরকার নিজেই বৈদ্যুতিক পরিবহনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে। জাতীয় বাজেট বক্তৃতা ২০২৬–২৭

BARVIDA-এর বক্তব্য অনুযায়ী, ব্র্যান্ড-নিউ যানবাহনের জন্য কিছু শুল্কসুবিধা দেওয়া হলেও রিকন্ডিশন্ড প্লাগ-ইন হাইব্রিডের ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে। সংগঠনটি ব্র্যান্ড-নিউ ও রিকন্ডিশন্ড যানবাহনের জন্য সমান ও ন্যায্য শুল্কনীতির দাবি জানিয়েছে। Financial Express

আমরা ব্র্যান্ড-নিউ, চীনা বা কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের গাড়ির বিরোধিতা করছি না। বাংলাদেশের বাজারে ব্র্যান্ড-নিউ, স্থানীয়ভাবে সংযোজিত এবং জাপানি রিকন্ডিশন্ড—সব ধরনের গাড়িরই স্থান থাকা উচিত। আমাদের দাবি শুধু একটিই:

একই প্রযুক্তি, একই পরিবেশগত সুবিধা এবং একই শ্রেণির গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যবসার ধরন বা উৎপত্তির দেশ বিবেচনায় অযৌক্তিক বৈষম্য করা যাবে না।

ন্যায্য প্রতিযোগিতা মানে কাউকে বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া নয়; বরং নিরাপত্তা, মান, ব্যাটারির স্বাস্থ্য, মূল্য, ওয়ারেন্টি ও বিক্রয়োত্তর সেবার ভিত্তিতে ক্রেতাকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।

আমাদের সুনির্দিষ্ট আবেদন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন:

1. জাপানের রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির পথ বন্ধ করে দেওয়া সংশ্লিষ্ট বিধান বা প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করা হোক।

2. প্রজ্ঞাপন চূড়ান্তভাবে কার্যকর করার আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, NBR, বাংলাদেশ কাস্টমস, শিল্প মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, BRTA, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, BIDA, BSTI, BARVIDA, EV বিশেষজ্ঞ এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের নিয়ে উন্মুক্ত অংশীজন সভা করা হোক।

3. ব্র্যান্ড-নিউ ও রিকন্ডিশন্ড EV-এর জন্য নিরাপত্তা, ব্যাটারি স্বাস্থ্য এবং মানের অভিন্ন ন্যূনতম নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক।

4. আমদানির সময় স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে Battery State of Health বা SOH Certificate বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।

5. দুর্ঘটনাগ্রস্ত, পানিতে ডোবা, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বা গুরুতরভাবে মেরামত করা EV আমদানি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ রাখা হোক।

6. জাপানি গাড়ির ক্ষেত্রে JAAI/JEVIC অথবা সরকারস্বীকৃত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন সনদ, প্রকৃত মাইলেজ ও auction history যাচাই বাধ্যতামূলক করা হোক।

7. ব্র্যান্ড-নিউ ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ির শুল্কায়নে স্বচ্ছ, যুক্তিসঙ্গত এবং বৈষম্যহীন পদ্ধতি চালু করা হোক।

8. EV ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার, নিরাপদ সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অধীনে পৃথক নীতিমালা করা হোক।

9. নির্দিষ্ট বয়সসীমা—যেমন সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের—এবং নির্দিষ্ট ন্যূনতম ব্যাটারি SOH নির্ধারণ করে মানসম্পন্ন রিকন্ডিশন্ড EV আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

10. নতুন, রিকন্ডিশন্ড এবং স্থানীয়ভাবে সংযোজিত—সব ব্যবসায়ীকে ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ দিয়ে গ্রাহকের পছন্দের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হোক।

যেসব প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

* প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

* অর্থ মন্ত্রণালয়

* জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—NBR

* বাংলাদেশ কাস্টমস ও কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম

* বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

* আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর—CCI&E

* শিল্প মন্ত্রণালয়

* সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ

* বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ—BRTA

* পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়

* পরিবেশ অধিদপ্তর

* বাংলাদেশ ব্যাংক

* বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—BIDA

* বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন—BSTI

* অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ—ERD

* পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

* জাপান দূতাবাস, ঢাকা

* JICA Bangladesh

* BARVIDA

* FBCCI ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠন

শেষ কথা

আমরা কোনো দেশ, ব্র্যান্ড বা ব্র্যান্ড-নিউ গাড়ির ব্যবসার বিরুদ্ধে নই। আমরা চীনা EV-এরও বিরুদ্ধে নই। আমাদের দাবি হলো—বাংলাদেশের বাজারে যে গাড়ি নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব, মানসম্পন্ন এবং ক্রেতার সামর্থ্যের মধ্যে, তাকে ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ দিতে হবে।

একটি প্রতিষ্ঠিত খাতকে হঠাৎ সংকুচিত করে নয়, বরং মান নিয়ন্ত্রণ, ব্যাটারি পরীক্ষা, স্বচ্ছ শুল্কায়ন এবং শক্তিশালী নিবন্ধনব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব।

বৈষম্যের ঠাঁই নাই।

ব্যবসা বন্ধ নয়—মান নিয়ন্ত্রণ করুন।

একচেটিয়া সুবিধা নয়—সবার জন্য ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করুন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার প্রতি আমাদের অনেক আস্থা ও আশা। হাজার হাজার ব্যবসায়ী, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের জীবিকা, সরকারের রাজস্ব ও বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থার ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে জাপানি রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের বিনীত প্রত্যাশা।

18/12/2025
09/12/2025

টয়োটা Land Cruiser পরিবারে নতুন চমক—Land Cruiser “FJ”!
এটা মূলত ক্লাসিক FJ40–এর আধুনিক রিমেক, কিন্তু আরও শক্তিশালী, স্মার্ট এবং অ্যাডভেঞ্চার-রেডি ডিজাইনে তৈরি। অফ-রোডারদের স্বপ্ন পূরণ করতেই যেন টয়োটা এই গাড়িটি ফিরিয়ে এনেছে।

⭐ বিশেষ বৈশিষ্ট্য (Key Highlights)

🔸 1. Retro + Modern Design
• বাহিরের ডিজাইন FJ40-এর ক্লাসিক লুক বজায় রেখে তৈরি।
• রাউন্ড LED হেডলাইট, শক্তিশালী ফেন্ডার, বক্সি বডি—একদম Adventure DNA!

🔸 2. Hybrid Powertrain
• নতুন FJ-তে টয়োটার উন্নত Hybrid System থাকবে।
• পাওয়ার বেশি, ফুয়েল-সেভিং আরও উন্নত।
• পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ড্রাইভিং।

🔸 3. Exceptional Off-Road Capability
• Full-time 4WD
• উন্নত Crawl Control
• Multi-Terrain Select System
• Bad-road, Hill, Desert, Mud—সব রাস্তায় সহজে চলার ক্ষমতা।

🔸 4. Advanced Safety Features
• Toyota Safety Sense (Latest Gen)
• 360° Camera
• Off-road Monitoring System

🔸 5. Interior & Comfort
• Rugged লুকের সাথে প্রিমিয়াম কমফোর্ট
• বড় টাচস্ক্রিন
• Wireless Apple CarPlay & Android Auto
• Water-resistant upholstery

🔸 6. Utility & Adventure Ready
• Roof-rack compatibility
• Tow hook
• High ground clearance
• Camping/Adventure Lovers-এর জন্য পারফেক্ট SUV


#ল্যান্ডক্রুজারFJ #টয়োটাFJ #নতুনগাড়ি২০২৫ #জাপানীহাইব্রিড #অফরোডSUV #কারিবঅটো

25/11/2024

❤️ যখন গ্রাহকরা পরিবারে পরিণত হয়

প্রতিটি হাসি, প্রতিটি 'ধন্যবাদ' এবং আমাদের অবিশ্বাস্য গ্রাহকদের সাথে ভাগ করা প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের হৃদয়কে আনন্দে পূর্ণ করে। আপনার বিশ্বাস এবং আনুগত্য আমাদের জন্য বিশ্বের মানে. সকালের কফি থেকে শুরু করে সন্ধ্যার খাবার পর্যন্ত, আপনি আমাদের ভ্রমণকে সুন্দর করে তুলেছেন।

আমরা আপনার সমস্ত সদয় শব্দ, উষ্ণ আলিঙ্গন এবং মূল্যবান স্মৃতিগুলিকে মূল্যবান করেছি৷ আপনার গল্পগুলি আমাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে, এবং আমরা আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হতে পেরে কৃতজ্ঞ। এটি কেবল ব্যবসা নয় - এটি প্রকৃত সংযোগ, প্রকৃত বন্ধুত্ব এবং বিশুদ্ধ ভালবাসা।

আমাদের সাথে আপনার প্রিয় স্মৃতি কি? নীচের মন্তব্যে শেয়ার করুন! 🥰

একজন বন্ধুকে ট্যাগ করুন যার আমাদের প্রেমময় সম্প্রদায়ে যোগদান করতে হবে!

#কৃতজ্ঞতা

25/11/2024

"EXPOSED: The Real Story Behind Karib Auto's Success 🔍"

19/11/2024

মেঘনা গ্রুপের টিস্যু ফ্যাক্টরিতে আগুন । আল্লাহ তুমি হেফাজত কৱো

Address

106
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801973755188

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammad Ali:

Shortcuts

Share