02/10/2019
জাপানী গাড়ী জনপ্রিয় কেন?
বাজারে থাকা জনপ্রিয় গাড়ীগুলোর মাঝে জাপানী গাড়ী অন্যতম । জাপানী গাড়ী প্রস্তুতকারী কোম্পানীগুলোর মাঝে টয়োটা , হোণ্ডা , নিশান তাদের আরামপ্রদ , কার্যকারিতা , দক্ষতার কারণে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে । আশির দশকে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে লক্ষ লক্ষ গাড়ী পৃথিবীর এই প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছে গেছে । বিভিন্ন প্রজন্মের চালকদের কাছে এসমস্ত গাড়ীর বিভিন্ন মডেল আস্থা অর্জন করেছে । কিন্তু আপনি যদি নতুন একটা গাড়ীর খোঁজে থাকেন জাপানী গাড়ী কেনার সুবিধাগুলো আপনার জানা থাকা উচিৎ । আসুন আমরা কারণগুলো জানি – তারা নির্ভরযোগ্য । হোণ্ডা , নিশান বা টয়োটার গাড়ীগুলো যারা চালিয়েছেন তারা বলে থাকেন কোন রকম মেরামতের কাজ ছাড়াই তারা শুরুতে গাড়ীগুলো বহু বছর চালিয়েছেন – অবশ্যই রক্ষনাবেক্ষণের কাজগুলো ঠিকমতো করেই । তাই আপনি যদি সারাজীবন ব্যাপি চালানোর জন্য কোন গাড়ী খোঁজেন , জাপানী গাড়ীগুলো আপনার জন্য ভালো অপশন হতে পারে । তারা একই সাথে নিরাপদও । ২০১৬ সালে ইনস্যুরেন্স ইন্সটিটিউট অব হাইওয়ে সেফটির র্যাংাকিং অনুযায়ী জাপানী কারের বেশ কয়েকটা মডেল ২০১৬ সালের সবচেয়ে নিরাপদ গাড়ী হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে । এজন্য ক্র্যাশ টেস্টে সবচেয়ে বেশী নম্বর পেতে হয় – নিশান ম্যাক্সিমা ও টয়োটা আভালন যা নিশ্চিত করতে পেরেছে । চালক ও সেফটি টেস্টারদের মতে ছোট সেডান থেকে শুরু করে স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল পর্যন্ত অনেক জাপানী গাড়ীরই সংঘর্ষ থেকে বেশী ক্ষয়ক্ষতি এড়নোর সক্ষমতা রয়েছে । তারা বলে যে , তোমার গাড়ীর নিরাপত্তা নির্ভর করে ঠিকমতো দৈনন্দিন রক্ষণাবেক্ষন ও সময়মত মেরামতের উপর । জাপানী গাড়ীগুলো পরিবেশ বান্ধবও বটে । সাইন্টেফিক আমেরিকান পত্রিকাটির মতে , টয়োটা ও হোন্ডা দুইটা কোম্পানীই বছরের পর বছর তেল সাশ্রয়ী গাড়ী প্রস্তুত করে চলেছে । জাপানী গাড়িগুলো ধারাবাহিকভাবেই প্রয়োজনীয় মাইলেজ রেশিওর অনেক উপরে পারফর্ম করে চলেছে এবং তারা গ্যাস নির্গমনও কম করে । মোদ্দাকথা ঠিকমত রক্ষণেবেক্ষন করা জাপানী গাড়ী পরিবেশবান্ধবতো বটেই তারা সাশ্রয়ীও । তারা পরিবারের জন্য উপযোগী । জাপানী গাড়ি কার্যকারিতা , নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের দিক দিয়ে শুধু নয় তারা যথেষ্ট প্রসস্তও । আপনি ছোট সেডান বা বড় ফ্যামিলি ভ্যান যাই চান না কেন জাপানী গাড়ী নির্মাতারা এমন গাড়ী প্রস্তুত করেছেন এমন গাড়ীই প্রস্তুত করে রেখেছেন যা আপনার গোটা পরিবারের চাহিদা পূরণ করবে এবং সেই সাথে গ্যাস ও মেরামত বাবদ সাশ্রয়ীও হবে । ক্রেতারাও এই কথা ভেবেও উৎসাহী হবেন যে ,ব্যবহার্য জাপানী গাড়ীগুলো বেশী দামে বিক্রিও করা সম্ভব যতোক্ষণ পর্যন্ত তাদের ঠিকমতো রক্ষনাবেক্ষণ হচ্ছে । আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে
জাপানি গাড়ি রিসেল ভ্যালু সবথেকে বেশি এবং এর পরিমাণ প্রায় 86 শতাংশ।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।
ধন্যবাদ।